***রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "সন্ধ্যাসংগীত" আমাদেরকে নিয়ে যায় তার কাব্যিক যাত্রার প্রথম পর্যায়ে। এই রচনাটি লেখকের শৈশব ও কৈশোরের সংযোগস্থলে অবস্থিত, যেখানে তিনি প্রথমবারের মতো নিজের সৃজনশীলতার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। "সন্ধ্যাসংগীত" রচনা করার আগে, তিনি অনেক লেখার মাধ্যমে হাত পাকিয়েছিলেন, কিন্তু সেগুলো ছিল মূলত কপিবুকের মতো, যেখানে বাইরের মডেলের নকল প্রচেষ্টা বিদ্যমান ছিল। এই রচনায়, আমরা দেখতে পাই কিভাবে তিনি সেই কপিবুকের যুগ থেকে বেরিয়ে এসে নিজের স্বতন্ত্র কাব্যিক স্বর খুঁজে পেয়েছেন। "সন্ধ্যাসংগীত" তাঁর প্রথম স্বকীয় রূপের অভিজ্ঞান, যা তাঁকে নতুন সৃষ্টির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।
***রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা "ছবি ও গান" আমাদের নিয়ে যায় সেই সময়ে, যখন শৈশব ও যৌবনের সন্ধিক্ষণে একজন তরুণ লেখক নিজের পরিচয় খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছে। বয়ঃসন্ধির সেই সংকটময় মুহূর্তে, যেখানে ছেলেমানুষি ভাষা ও কৈশোরের ভাব মিলে মিশে যায়, সেখানে লেখকের মনস্তাত্ত্বিক অস্থিরতা ও সৃজনশীলতার সন্ধান মেলে। এই রচনা কেবল সুরের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে রূপের সন্ধানে বেরিয়ে পড়ার কাহিনী বলে। এই কাহিনী আমাদের সামনে তুলে ধরে লেখকের প্রথম দৃষ্টিভঙ্গি ও সৃষ্টিশীলতার হাতেখড়ি, যা পরবর্তীকালে তার সাহিত্যিক জীবনের ভিত্তি স্থাপন করে। "ছবি ও গান" সেই সৃষ্টিশীল যাত্রার প্রাথমিক পদক্ষেপ, যেখানে তার ভাষা ও ভাবনা প্রথম মূর্ত হয়ে ওঠে। ছবি ও গান ছবি ও গান নিয়ে আমার বলবার কথাটা বলে নিই। এটা বয়ঃসন্ধিকালের লেখা, শৈশব যৌবন যখন সবে মিলছে। ভাষায় আছে ছেলেমানুষি, ভাবে এসেছে কৈশোর। তার পূর্বেকার অবস্থায় একটা বেদনা ছিল অনুদ্দিষ্ট। সে যেন প্রলাপ বকে আপনাকে শাস্ত করতে চেয়েছে। এখন সেই বয়স যখন কামনা কেবল সুর খুঁজছে না, রূপ...
Comments
Post a Comment